জাতীয়

দেশে মাদকসেবী ৮২ লাখ, মাদক সেবনে দৈনিক গড় ব্যয় ২১৭ টাকা

Icon

রুমা রহমান

প্রকাশ: ৩১শে অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৩৭

দেশে মাদকসেবী ৮২ লাখ, মাদক সেবনে দৈনিক গড় ব্যয় ২১৭ টাকা

দেশে অবৈধ মাদক সেবনকারীর সংখ্যা ৮১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ জন। তাদের মধ্যে ৮৬ দশমিক ৮ শতাংশ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা বা পুনর্বাসনসেবার আওতায় আসেননি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অর্থায়নে পরিচালিত এক জাতীয় গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণার তথ্য বলছে, মাদক সেবনকারীদের বড় অংশ তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সদস্য। দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক গাঁজা, এরপর রয়েছে ইয়াবা।


গবেষণা অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ অবৈধ মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত। মাদক সেবনকারীদের গড় বয়স ৩১ বছর। তাদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের হার ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ মাদক সেবনকারী ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম মাদক গ্রহণ করেন। প্রথম মাদক গ্রহণের গড় বয়স ২০ বছর।


২০২৫ সালের জুনে প্রকাশিত গবেষণাটিতে উঠে এসেছে, দেশে মাদক সেবনের ব্যাপকতা যেমন উদ্বেগজনক, তেমনি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনসেবার আওতায় আনার ক্ষেত্রেও বড় ঘাটতি রয়েছে।


যেভাবে পরিচালিত হয় গবেষণা


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অধীন ডিএনসির অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেডের (আরএমসিএল) যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ গবেষণার শিরোনাম ‘এস্টিমেশন অব দ্য নাম্বার অ্যান্ড ক্যাটাগরি অব পারসন্স অ্যাবিউজিং ড্রাগস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটেড ফ্যাক্টরস: এ নেশনওয়াইড স্টাডি ইন বাংলাদেশ’।


গবেষণায় নেটওয়ার্ক স্কেল-আপ মেথড (এনএসইউএম) ও সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। দেশের আটটি বিভাগের ১৩টি জেলা ও ২৬টি উপজেলা থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়।


গবেষণার ফলাফল দেশে মাদক সেবনের বিস্তার, তরুণদের মধ্যে মাদক গ্রহণের প্রবণতা এবং চিকিৎসা ও পুনর্বাসনসেবার সীমিত আওতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরেছে।


গাঁজা ও ইয়াবায় বেশি আসক্তি


গবেষণায় দেখা যায়, দেশে প্রায় ৬০ লাখ ৭৯ হাজার মানুষ গাঁজা সেবন করেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইয়াবা। এ মাদক সেবনকারীর আনুমানিক সংখ্যা ২২ লাখ ৯২ হাজার। এ ছাড়া প্রায় ২০ লাখ ২০ হাজার মানুষ অ্যালকোহল এবং ৩ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ কোডিনযুক্ত ওষুধ বা ফেনসিডিলজাতীয় মাদক সেবন করেন।


গবেষণায় হেরোইন সেবনকারীর সংখ্যা ৩ লাখ ২২ হাজার এবং ঘুমের ওষুধ অনিয়ন্ত্রিতভাবে সেবনকারীর সংখ্যা ৩ লাখ ৫ হাজার। ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় ৩৯ হাজার। এ ছাড়া আইস ও এলএসডির মতো সিন্থেটিক মাদকের ব্যবহারও শনাক্ত হয়েছে। গত কয়েক বছর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইস ও এলএসডি ব্যবহারের হার বেড়েছে।


ময়মনসিংহ ও রংপুরে প্রাদুর্ভাব বেশি


বিভাগভিত্তিক হিসাবে মাদক সেবনের প্রাদুর্ভাবের হার সবচেয়ে বেশি ময়মনসিংহে, ৬ দশমিক ২ শতাংশ। প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে রংপুর, ৬ শতাংশ। চট্টগ্রাম বিভাগে এ হার ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। অন্যদিকে, রাজশাহী বিভাগে সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৭২ শতাংশ।


মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যার হিসাবে জনসংখ্যার আকারের কারণে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। সেখানে মাদক সেবনকারীর আনুমানিক সংখ্যা ২২ লাখ ৮০ হাজার। চট্টগ্রাম বিভাগে এ সংখ্যা প্রায় ১৮ লাখ ৮০ হাজার। গ্রামীণ এলাকার তুলনায় শহরাঞ্চলে মাদকসেবনের হার কিছুটা বেশি। শহরে এ হার ৫ দশমিক ৪ শতাংশ, গ্রামে ৪ দশমিক ৭২ শতাংশ।


তরুণ, শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে বেশি বিস্তার


গবেষণায় অংশ নেওয়া মাদক সেবনকারীদের ৯৯ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ এবং শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ নারী। তাদের ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ বিবাহিত। পেশাভিত্তিক হিসাবে ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ দিনমজুর, ১৫ দশমিক ১ শতাংশ পরিবহনশ্রমিক, ১০ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী, ৮ দশমিক ৬ শতাংশ দরজি, হকার ও নাপিত এবং ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেকার।


মাদক সেবনকারীদের পরিবারের গড় মাসিক আয় ২১ হাজার ২৩১ টাকা। আর মাদক কেনার পেছনে তারা প্রতিদিন গড়ে ২১৭ টাকা ব্যয় করেন।


গবেষণায় অংশ নেওয়া ৮৮ দশমিক ৬ শতাংশ মাদক সেবনকারী জানিয়েছেন, স্থানীয় মাদক বিক্রেতা ও বন্ধুদের মাধ্যমে সহজেই মাদক পাওয়া যায়। সমবয়সীদের প্রভাব, কৌতূহল, অর্থনৈতিক হতাশা, প্রেমজনিত টানাপোড়েন ও মানসিক বিপর্যয়কে প্রথম মাদক গ্রহণের পেছনে উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।



গবেষণার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, মাদক সেবনকারীদের মাত্র ১৩ দশমিক ২ শতাংশ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা পেয়েছেন। বাকি ৮৬ দশমিক ৮ শতাংশ এসব সেবার বাইরে রয়েছেন।


গবেষণায় অংশ নেওয়া ৫১ দশমিক ৭ শতাংশ অন্তত একবার মাদক ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাদের মধ্যে ৪৬ দশমিক ২ শতাংশ পারিবারিক চাপ, ৩০ দশমিক ৭ শতাংশ নিজের উপলব্ধি এবং ১৯ শতাংশ শারীরিক অসুস্থতার কারণে মাদক ছাড়তে চেয়েছেন। তবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের সুযোগের অভাব তাদের সুস্থ জীবনে ফেরার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।


গবেষণায় আরও দেখা গেছে, মাদক সেবনকারীদের ৬৮ শতাংশ পরিবার ও সমাজে বৈষম্য, অপমান বা নির্যাতনের শিকার হন। তাদের ৪৯ দশমিক ৭ শতাংশকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ পুলিশি হয়রানি বা গ্রেফতারের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।


মাদক সেবনকারীদের ৬৯ শতাংশ বিনা মূল্যে বা সাশ্রয়ী মূল্যে পুনর্বাসন সেবা চান। ৬১ দশমিক ৯ শতাংশের প্রয়োজন মানসিক কাউন্সেলিং। আর ৪১ দশমিক ২ শতাংশ চিকিৎসার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ চেয়েছেন।



গবেষণায় মাদক সমস্যার সমাধানে শুধু গ্রেফতার ও শাস্তিনির্ভর পদক্ষেপের পরিবর্তে জনস্বাস্থ্য ও মানবাধিকারের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গবেষণার সুপারিশে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসনকেন্দ্র সম্প্রসারণ, সহজলভ্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, স্কুল-কলেজে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং মাদকনির্ভর ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে।


একই সঙ্গে মাদকনির্ভর ব্যক্তিদের অপরাধী হিসেবে বিবেচনার পরিবর্তে চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তিদের যথাযথ সেবাকেন্দ্রে পাঠানোর সক্ষমতা বাড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণের সুপারিশ করা হয়েছে। ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে ক্ষতি হ্রাসমূলক কর্মসূচি জোরদার করার কথাও বলা হয়েছে।


গবেষণার সামগ্রিক চিত্র বলছে, দেশে মাদক সমস্যা কেবল আইন শৃঙ্খলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তরুণদের ভবিষ্যৎ, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর উৎপাদনশীলতা, মানসিক স্বাস্থ্য, চিকিৎসাসেবার সুযোগ এবং সামাজিক পুনর্বাসনের প্রশ্ন।


ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের পরিচালক এবং আইসাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাসুদ বলেন, দেশে মাদক ব্যবহারের সূচনাও হচ্ছে অল্প বয়সে। প্রায় ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ৮ থেকে ১৭ বছর বয়সে এবং ৫৯ শতাংশ ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করেন। এছাড়া প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, তাদের কাছে মাদক সহজলভ্য।


মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও আইসাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম. এ. মোহিত কামাল বলেন, চিকিৎসা শেষে কেউ যদি পুরোনো পরিবেশ, বেকারত্ব, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও সামাজিক কলঙ্কের মধ্যে ফিরে যান, তাহলে পুনরায় মাদক ব্যবহারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তিকে অপমানজনক পরিচয়ে না ডেকে একজন অসুস্থ মানুষ হিসেবে দেখার আহ্বান জানান তিনি।



মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, একুশে পদকপ্রাপ্ত এবং জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী।


তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে মাদকের চাহিদা কমানো, সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসা ও পুনর্বাসন- এই তিনটি ক্ষেত্রেই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশে তিনটি ক্ষেত্রেই ব্যর্থতা রয়েছে। সব সরকারই মাদক নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্সের কথা বলে। তবে শুধু মুখে বললে হবে না, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকার আন্তরিক হলে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।


মাদক নিয়ন্ত্রণে চাহিদা কমানো, সরবরাহ বন্ধ এবং চিকিৎসা-পুনর্বাসন- তিন ক্ষেত্রেই কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশে সব ক্ষেত্রেই ঘাটতি রয়েছে। সরকারগুলো জিরো টলারেন্সের কথা বললেও বাস্তবে কার্যকর পদক্ষেপ নেই। সরকারের আন্তরিকতা থাকলে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।— মানসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. অরূপ রতন চৌধুরী


তিনি বলেন, মাদকনির্ভর ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যবস্থায় নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। দেশে প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসাসেবা অপ্রতুল। পুনর্বাসনকেন্দ্রগুলোতেও আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। আমাদের দেশে মাদকাসক্তির চিকিৎসা যেভাবে হওয়া উচিত, সেভাবে হচ্ছে না। অনেককে দুই-তিন মাস চিকিৎসা দেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর বাড়িতে ফিরে তারা আবার মাদক গ্রহণ শুরু করেন। ফলে তাদের পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা কঠিন হয়ে পড়ে। মাদকনির্ভরতা থেকে সুস্থ জীবনে ফিরতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা ও কার্যকর পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি।


মাদক কেনাবেচায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী। তিনি বলেন, এখন শুধু প্রচলিত স্থল, নৌ ও আকাশপথে মাদক সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনায় নিলে চলবে না। অনলাইনেও মাদকের অর্ডার দেওয়া ও সরবরাহের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে।


তিনি আরও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। সংসদ সদস্য, মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলররা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় নিজ নিজ এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করতে পারেন।


তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধিরা এলাকাভিত্তিক মাদকবিরোধী উদ্যোগ ঘোষণা করে তা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।


মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়লেও কার্যকর প্রয়োগ ও কর্মকর্তাদের সততা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। তাদের ইউনিফর্ম ও আধুনিক অস্ত্র দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শুধু এসব দিয়ে হবে না, সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।