সারাদেশ

গাজীপুরে হামলা নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন জাহিদ

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৬:২০

গাজীপুরে হামলা নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন জাহিদ

গাজীপুরে ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনা সংবাদমাধ্যম যেভাবে বর্ণনা করেছে, তা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দপ্তর সেল সম্পাদক জাহিদ আহসান। তার ভাষ্য, এ বর্ণনা 'বিলকুল মিথ্যা।'

ফেসবুক পোস্টে জাহিদ বলেন, আ ক ম মোজাম্মেলের বাড়িতে লুটপাট হচ্ছে শুনে থামানোর জন্য সেখানে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৫-২০ জন নেতা-কর্মী। তারা মোজাম্মেলের বাড়িতে পৌঁছালে দরজা বন্ধ করে অপেক্ষমাণ ৪০০ জনের মত দেশীয় অস্ত্রধারী লোক তাদের ওপর হামলা চালায়। রামদা দিয়ে কোপানো হয়, রড দিয়ে পিটিয়ে হাতের হাড় গুঁড়া করে দিয়েছে, চোখের উপর বারি মেরে দৃষ্টিশক্তিকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে। লক্ষ্মণীয় বিষয় হলো - মাথা ছাড়া শরীরের অন্যত্র কোথাও একটা কোপ দেয়া হয় নাই। সব কোপ দেয়া হয়েছে মাথায়। 

তিনি বলেন, 'তাজউদ্দীন মেডিকেলের ইন্টার্ন ডাক্তার আমাকে বললেন - একজনের মাথার ঘিলু দেখা যাচ্ছে। মানে একাধিক কোপ দেয়া হয়েছে মাথায়। '

তিনি আরও বলেন, বাংলা সংবাদমাধ্যম আমাদের জানাইলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা ডাকাতি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। এরা একটিবারও জানতে চাইলো না যে, বৈছাআর নেতারা যাওয়া মাত্রই চারশোজন অস্ত্রধারী, তাদের কথায় " এলাকাবাসী" হুট করে রেডি হইলো কিভাবে! তাদের মনে এই প্রশ্নটাও আসলো না যে, এলাকাবাসী প্রতিরোধ করলে কেনো প্রত্যেকটি কো*প মাথায়ই পড়বে। শরীরের অন্য কোথাও পড়বে না। ডাকাতকে পেটানো হয় এলোপাতাড়ি, এত শৈল্পিকভাবে না। এইসব রিপোর্টার আর এডিটরদের ন্যুনতম বিবেকবুদ্ধি কবে যে হবে! 

জাহিদ আহসান বলেন, জিএমপি কমিশনার, সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর ওসি, ডিসি কারো সাহায্য পাননি আমার সহযোদ্ধারা। আড়াইঘণ্টা ধরে অনুনয়-বিনয় করার পরে মাত্র চারজন পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। গিয়েও তারা নির্লজ্জের মত অপারগতা প্রকাশ করে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে। গতকাল থেকে সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা নানাভাবে নাশকতার হুমকি দিয়ে আসছিলো। সন্ত্রাসীদের থেকে জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য কোনো পূর্বপরিকল্পনা তো ছিলোই না, বরং হামলার স্বীকার হওয়ার পরও তারা এনফোর্স করতে যথেষ্ট বিলম্ব করছে। যদিও পুলিশ হাতে চুড়ি পরেই বসেছিলো।