জাতীয়

সড়ক, মহাসড়ক ও রেললাইনে পশুর হাট বসবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৪ঠা মে ২০২৬, ২২:৩৯

সড়ক, মহাসড়ক ও রেললাইনে পশুর হাট বসবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহায় সড়ক, মহাসড়ক ও রেললাইনের ওপর কোরবানির পশুর হাট কোনোভাবেই বসতে দেওয়া হবে না। জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট অনুশাসন দিয়েছেন বলে জানান তিনি।



সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় ঈদুল আজহার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।



বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



সড়ক, রেলপথ ও নৌপথ–সবক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে নৌ-পরিবহনের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান তিনি।



চামড়াশিল্পের সুরক্ষা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার এবার বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করেছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কোরবানির পর প্রথম সাত দিন ঢাকার বাইরে থেকে কোনো চামড়া রাজধানীতে প্রবেশ করতে পারবে না। স্থানীয়ভাবে চামড়া সংরক্ষণ করতে হবে।’



এ সময় চামড়া সংগ্রহ ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণের বিষয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানার সংশ্লিষ্টদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।



সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঈদের সাত দিন আগে থেকেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি ‘মনিটরিং সেল’ গঠিত হবে। এর মাধ্যমে মহাসড়কের সিসি ক্যামেরাগুলো পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।



ফেরিতে বাস ওঠার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফেরিঘাটে বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে তারপর ফেরিতে ওঠা ও নামার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি ঘাটে সাইনবোর্ড ও মাইকিং থাকবে। এ নিয়ে কোনো বাসচালকের গাফিলতি দেখা যায়, তার লাইসেন্স নিয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’



এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বাস মালিক ও শ্রমিক ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানান তিনি।



স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসার বিষয়ে মহাসড়কের পাশে অবস্থিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ট্রমা সেন্টারগুলোকে কার্যকর করা হবে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে সেখানে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ দেওয়া হবে।



এ ছাড়া বৈঠকে নিকটবর্তী উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোকে ঈদের সাত দিন আগে থেকেই প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।