নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২ই অক্টোবর ২০২৬, ২০:০৩
৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল আফগানিস্তান। দুই উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েন রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহ আতাল।
তাদের জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন এবাদত হোসেন। আর রহমতের ক্যাচ ধরে ইতিহাস গড়েন লিটন দাস।
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে জয়ের জন্য আফগানিস্তানের প্রয়োজন আরও ৩৪৭ রান।
আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৩২ রান করেছে আফগানিস্তান।
সেদিকুল্লাহ ৩৫ ও হাশমতউল্লাহ শাহিদী ১৯ রানে অপরাজিত আছেন।
৪৭৯ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তানকে শুরুতেই ধাক্কা দেন ইবাদত।
ইনিংসের প্রথম বলেই আবদুল মালিককে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করেন এই পেসার। পরে হাসান মাহমুদের বলে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শহীদুল্লাহ। ২৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন রহমত ও সেদিকুল্লাহ। ধীরে ধীরে জমে ওঠে তাদের জুটি। বাংলাদেশের বোলাররা চেষ্টা করেও এই জুটি ভাঙতে পারছিলেন না। একপর্যায়ে দুজনের জুটি পেরিয়ে যায় ৮০ রান। শেষ পর্যন্ত ইবাদতের বলে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে থামেন রহমত। ১২৪ বলে ৫১ রান করেন আফগান অধিনায়ক। সেদিকুল্লাহর সঙ্গে তার ২১৪ বলের ৮২ রানের জুটি ভাঙে।
রহমতের ক্যাচ ধরেই নতুন রেকর্ড গড়েন লিটন। প্রথম ইনিংসে চারটি ক্যাচ ও একটি স্টাম্পিংয়ের পর দ্বিতীয় ইনিংসে এখন পর্যন্ত তিনটি ক্যাচ নিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে এক টেস্টে আটটি ডিসমিসাল নিয়ে বাংলাদেশের উইকেটকিপারদের মধ্যে নতুন রেকর্ড গড়েছেন লিটন। ২০০৪ সালে হারারে টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খালেদ মাসুদ পাইলটের সাত ডিসমিসালের রেকর্ড পেছনে ফেলেছেন তিনি।
এদিকে আবদুল মালিককে ফিরিয়ে টেস্টে নিজের ৫০তম উইকেটও পূর্ণ করেছেন এবাদত।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৪৬ রান করে। জবাবে আফগানিস্তান থামে ২৪০ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। তাতে জয়ের জন্য আফগানিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৯ রান। চতুর্থ দিন শেষে ১৩২ রান তুললেও জয়ের জন্য এখনও ৩৪৭ রান করতে হবে সফরকারীদের।